মোঃ নাহিদুর রহমান শামীম, মানিকগঞ্জঃ
পন্দ্র, যমুনা, কালিগঙ্গা, ধলেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে ভয়ংকর ভাঙ্গনের কোবলে, মানিকগঞ্জ জেলা দৌলতপুর, ঘিওর, হরিরামপুর, শিবালয়, সিংগাইর উপজেলার নদী তীর ঘেষা মানুষ গুলো। এছাড়া অনেক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা বসবাড়ি, ফসলের জমি, রাস্তা, এই চলিত মাসে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙ্গনে পড়ে। বাঘুটিয়া ও চরকাটারিয়া হাট বাজার, গরুর হাট, শুকা রিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও আলিম মাদ্রাসা প্রায় এক অংশ তলিয়ে যায়। যমুনা, ধলেশ্বরী, কালীগঙ্গা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে, ঘিওর হরিরামপুর ও শিবালয়, মিজাপুর মাঝিপাড়া, বড়টিয়া, সেলিমপুর, সুতালড়ি, হাতিঘাটা, আন্ধারমানিক এর পাড়ের মানুষ গুলো ভয়ংকর নদী ভাঙ্গনের মুখে। এছাড়া আলোকদিয়া শিবালয় উপজেলার একটা খেলার মাঠ, তিন ফসলি জমি, গরুর খামার, তেওতা সমেজঘর, গামাপ্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুঝি পূর্ণ অবস্থায় আছে।
দৌলতপুর ও শিবালয় ও সাটুরিয়া উপজেলার প্রায় ২৯টি, ১৫টি, ১২টি, এলাকায় বসত ভূমি সহ সরকারি প্রতিষ্ঠান খুব ঝুঁকি অব্স্থানে।
মোঃ নওয়াব আলী বলেন, ১০ বছর ধরে তার ভিটা ভাঙ্গতে দেখেছেন, এর আগে সব কিছু নদী ভাঙ্গনে পড়ে শেষ হয়। ঘিওর উপজেলার ঐতিহাসিক গরুর হাট, বাজার ও বুস্তা কবর স্থান সহ অনেক বসতির এক অংশ তলিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শুখনো মৌসুমে নদী পাড় ও বাঁধ ঠিক না করে, বর্ষা মাসে কি এগুলো ঠিক করা যায়। কিছু অবৈধ লোকজন বর্ষা মাসে ভোলগেটডেজিং দিয়ে মাটি কাটে।
মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন, বেশির ভাগ চর এলাকার মাটি বালু হওয়ার কারণে অল্পতেই তলিয়ে যায়। এছাড়াও ভাঙ্গন এলাকার জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে, বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু হবে। প্রতি বছর নদী ভাঙ্গনে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলে কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ জাকির হোসেন (মনু)
zakirhossain215@gmail.com
01712364264
Copyright © 2026 banglaralotv. All rights reserved.