
মোঃ আবু সাইদ শওকত আলী, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা যুব লীগের সভাপতি শামিম হোসেন মোল্লাকে মারধর করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। সেসময় ভাংচুর করা হয় শামিম মোল্লার ব্যবহৃত গাড়ীটি। বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ এলজিইডি অফিসে এই গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
প্রত্যাক্ষদর্শী মনোয়ার হোসেন জানান, অফিস থেকে বের হওয়ার পর জুলাইযোদ্ধারা তাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। শামিম হোসেন মোল্লা আ’লীগ সরকারের আমলে টেন্ডারবাজী, সরকারী সম্পদ দখল ও ত্রাস সৃষ্টি করে আতংকিত জনপদ গড়ে তোলেন।
পুলিশ জানায়, দুপুরের দিকে যুবলীগ নেতা শামিম হোসেন মোল্লা তার প্রাইভেটকারযোগে ঝিনাইদহ এলজিইডি অফিসে যায়। খবর পেয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা তার প্রাইভেটকার ভাংচুরসহ গণধোলাই দেয়। সেসময় খবর পেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শামিম হোসেন মোল্লা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর এবং এখনও সক্রীয় বলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার অভিযোগ।
পুলিশ আরও জানায়, গত ১৩ জুলাই ডিবি পরিচয়ে তাকে অপহরণ করে। অপহরণের পর তাকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সে সময় চারজনকে আটকও করে পুলিশ।
সুত্র মতে শামীম মোল্লা শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ বাজার এলাকার মহেশপুর এলপিজি গ্যাস পাম্পে বসে ছিলেন। এ সময় নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে একদল দুর্বৃত্ত দুইটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় এবং তার পিতা ইউপি চেয়ারম্যান সাব্দার হোসেন মোল্যার নিকট ৫০ লাখ টাকা দাবী করে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন খবর নিশ্চত করে জানান, আমরা খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে শৈলকুপা উপজেলা যুব লীগের সভাপতি শামিম হোসেন মোল্লাকে বুধবার বিকালে মামধর করা হয়। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। তিনি আরো জানান, তার নামে ঝিনাইদহ সদর থানায় কোন মামলা নেই। সন্ধ্যায় তাকে শৈলকুপা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।



