
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নে বাঘমারা পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের সভাপতি মো:শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে উক্ত মসজিদের দাতা সদস্য মো:আব্দুর রহমানকে মসজিদের হিসাব চাওয়ায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় গ্রামবাসী,মুসল্লিরা ও মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসহাক আলী অভিযোগ করেন উক্ত জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলামকে দীর্ঘ দিন ধরে মসজিদের বাৎসরিক হিসাব চাওয়া হচ্ছে কিন্তু সভাপতি বার বার তালবাহানা করে শুরু সময় ক্ষেপণ করছে।
গত ৯ নভেম্বর ২০২৫ উক্ত মসজিদের কয়জন মুসুল্লি বাঘমারা বাজারে সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলামের কাছে পুনরায় হিসাবের কথা বললে শহিদুল ইসলামের সাথে কিছু বাকবিতন্ডা হয় এরই পরিপ্রেক্ষিতে শহিদুল ইসলাম মসজিদে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে বাজারে তাকে মারধর করে এমন একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশ তদন্ত করে এর কোন সত্যতা না পেয়ে চলে যায় এবং বলেন এই ঘটনাটা স্থানীয় ভাবে বসে মিমাংসা করতে।কিন্তু শহিদুল ইসলাম সেটা না করে ১৮ নভেম্বর ২০২৫ আনুমানিক সকাল দশ ঘটিকার দিকে উক্ত মসজিদের দাতা সদস্য আব্দুর রহমানকে রাস্তায় একা পেয়ে শহিদুল ইসলাম ও তার ভাই মোস্তফা, শহিদুল ইসলামের ছেলে হযরত ও ভাতিজা (মোস্তফার ছেলে) ওলিদ সহ বেশ কয়জন মিলে তাকে মেরে গুরুতর আহত করে।বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন আছে।
এব্যাপারে উল্লাপাড়া মডেল থানায় মসজিদ পক্ষ থেকে আব্দুল কাদের সরকার ৪ জনের নামে বাদী হয়য়ে একটা অভিযোগ দায়ের করে।এদিকে শহিদুল ইসলাম ও তার ভাই মোস্তফা এরা মিলে এই মারামারি ঘটনা থেকে গ্রামে আতংক সৃষ্টি করার জন্য পাশের খাদুলী নামক গ্রাম থেকে লোক ভাড়া করে নিয়ে আসে। এতে করে এলাকায় একটা ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে মসজিদের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রথমে মসজিদের হিসাব দিতে রাজি হওয়ার পরেও কোন এক অজানা শক্তির বলে হিসাব দিতে অস্বীকার করে এবং স্থানীয় মুসুল্লি ও লোকজনদের নানা ভয়ভীতি প্রদান করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এই মারামারি হয়।স্থানীয় মুসুল্লি ও এলাকাবাসী এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষ অতিদ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করেন এবং মসজিদের কমিটি পরিবর্তন করে একটা ভালো কমিটি গঠনের দাবি জানায়। যাতে মসজিদের উন্নয়ন কাজ গতিশীল হয়।



